loading...

পার্বতীপুরে চন্দ্রপুর শ্বশান ঘাটটি নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার আশংকা কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা এলাকাবাসীর

0

আব্দুল্লাহ আল মামুন, পার্বতীপুর  প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় হিন্দু ধর্মালম্বীদের মৃত্যুদেহ দাহ করার এক মাত্র শ্বাশান ঘাট রক্ষাবেক্ষন না করায় যমুনা নদীর গর্ভে বিলিন হওয়ার আশংকা করছেন এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মমিনপুর ইউনিয়নের বাসুদেবপুর ও চন্দ্রপুর শ্র¯্রাধিক হিন্দু পরিবারের লাশ দাহ ও কবর দেয়ার একমাত্র আশ্রয় স্থল চন্দ্রপুর শ্বাশান ঘাট। যার পাশ্বে অবস্থিত যমুনা নদী।

প্রতিনিয়তই এ নদী হতে বালূ উত্তোলনের কারণে নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার উপক্রম হয়েছে শ্বশানটি। ইতোমধ্যে শ্বশান ঘাটের পার ঘেষে বালু উত্তোলন করায় দক্ষিন পাশে প্রায় ৭০ফিট গভীরের সৃষ্টি হয়েছে।

এখনই এ বালু উত্তোলন বন্ধ করা না হলে আগামী বর্ষা মৌসুমে শ্বশান ঘাটটি নদী গর্ভে বিলিন হবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবী গত ২৮-২-২০১৮ তারিখে ১নং খতিয়ান ভূক্ত ও ১২১, ১২০, ১২১/৫০৩, ১২১/৫০৪ দাগের ২ একর জমিতে বালু মহাল ইজারা বন্দোবস্ত বন্ধ করার জন্য জেলা প্রশাসক নিকট আবেদন করেন তারা।

তবে আবেদন করেও বন্ধ করতে পারেনি ইজারা। পূর্বের ন্যায় সরকারী ভাবে এবছরেও বালু উত্তোলন করার জন্য ইজারা দেয়া হয়। এলাকার শ্বাশান ঘাট কমিটির লোকজন বারবার আবেদন করার পরেও প্রশাসনের নিকট হতে কোন প্রকার প্রতিকার পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন ঐ এলাকর হিন্দু সম্প্রদায়ের সংখ্যালঘু পরিবার।

চন্দ্রপুর শ্বশান ঘাটটি যমুনা নদীর সংলগ্ন হওয়ায় ইজারাকৃত ব্যক্তি ড্রেজারমেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করায় প্রতিনিয়তই ভেঙ্গে যাচ্ছে শ্বশান এবং কবরস্থান। অসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার আগেই সরকারী ভাবে শ্বশান ঘাট রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

loading...
error: Content is protected !!