loading...

বিউটিকে খুন করেছে তার বাবা!

0

বার্তা ডেস্কঃ 

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে কিশোরী বিউটি আক্তার হত্যা মামলার বাদী সায়েদ আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দিতে বলেছেন, বাবুল মিয়াকে ফাঁসানোর জন্য তিনি নিজেই মেয়েকে হত্যা করেছেন।

আজ শনিবার হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে সায়েদ আলীকে হাজির করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
জবানবন্দিতে কী বলা হয়েছে তদন্তের স্বার্থে এখনই তা প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মেয়েকে হত্যার কথা সায়েদ আলী স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন হবিগঞ্জ পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা।
বিউটিকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এর আগে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বিউটির চাচা আওয়ামী লীগ নেতা ময়না মিয়া।শুক্রবার বিকেল থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা। জবানবন্দিতে বিউটি হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন চাচা ময়না মিয়া। পুলিশের একটি সূত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

এদিকে বিউটি হত্যাকাণ্ডে তার নানি ফাতেমা বেগমের জবানবন্দি আদালতে রেকর্ড করা হয়েছে।
অভিযোগ ওঠে, গত ২১ জানুয়ারি শায়েস্তাগঞ্জের ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের দিনমজুর সায়েদ আলীর মেয়ে বিউটি আক্তারকে (১৪) বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বাবুল মিয়া ও তার সহযোগীরা। এক মাস তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এরপর বিউটিকে কৌশলে তার বাড়িতে রেখে পালিয়ে যায় বাবুল। এ ঘটনায় গত ১ মার্চ বিউটির বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল ও তার মা স্থানীয় ইউপি মেম্বার কলমচানের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে মেয়েকে সায়েদ আলী তার নানার বাড়িতে লুকিয়ে রাখেন।
এরপর ১৬ মার্চ হাওরে বিউটির লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনার জন্য বাবুলকে দায়ী করে তার পরিবার। বিউটিকে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে ১৭ মার্চ তার বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল মিয়াসহ দুজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর ২১ মার্চ পুলিশ বাবুলের মা কলমচান ও সন্দেহভাজন হিসেবে একই গ্রামের ঈসমাইলকে গ্রেফতার করে। পরে ৩১ মার্চ সিলেট থেকে বাবুলকে আটক করে র‌্যাব।

সুত্রঃ শীর্ষ নিউজ 

loading...
%d bloggers like this: