loading...

“চাঁপাইনবাবগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করেছেন ক্ষুদ আওয়ামিলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ক্ষিতিশ চন্দ্র আচারী”

0

তারেক আহম্মেদ-চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ থেকে এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশি ক্ষিতিশ চন্দ্র আচারী মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করে হাজার হাজার পোষ্টারিং করায় জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে ভোলাহাট উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের মানুষের সহ আরও দুই উপজেলা(গোমস্তাপুর,নাচোল)’র জনগণের।

সম্প্রতি ভোলাহাটের প্রত্যন্ত এলাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর মহন্ত স্টেট এর মহন্ত মহারাজ ক্ষিতিশ চন্দ্র আচারী মহান বিজয় দিবসকে বিকৃতি করে “১৬ ডিসেম্বর মহান স্বাধীনতা দিবস” ‘মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী’ এই বানীটি লিখে হাজার হাজার রঙ্গীন পোষ্টার দেয়ালে দেয়ালে লাগিয়েছেন।

তার এ সব পোষ্টার দেখে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা ক্ষোভ করে বলেন, ক্ষীতিশ চন্দ্র আচারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে পোষ্টার তৈরীর পর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি মোটেই গ্রহণ যোগ্য নয়। আওয়ামীলীগের ব্যানারে তার মনোনয়ন আশা করা তো দূরের কথা, এ অন্যায়মূলক কর্মকান্ডের  জন্য তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী করেন।বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ডের সদস্যগণ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির তীব্র সমালোচনা করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান ও রাজাকার আলবদর বাহিনীর সাথে তার কোন যোগসূত্র আছে কিনা সরকারের কাছে ক্ষতিয়ে দেখার দাবীও জানান।

এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ভোলাহাট উপজেলার সভাপতি আলহাজ্ব প্রকৌশলি আমিনুল হক বলেন, মহন্ত ক্ষীতিশ যে পোষ্টার টাংগিয়েছেন তা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছে। অত্র উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ইয়াশিন আলী শাহ’ও ক্ষোভ প্রকাশ করে  একই কথা বলেন। সাধারণ সম্পাদক  বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ আশরাফুল হক বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস ও মূল্যবোধ হৃদয়ে ধারণ করে না,তাদের দ্বারা এমন অসংগতি পূর্ণ কর্মকান্ড করা স্বাভাবিক।

অপরদিকে একই বিষয়ে ভোলাহাট মোহবুল্লাহ কলেজের ভাইস-প্রিন্সিপাল ও ইতিহাসবীদ শফিকুল ইসলাম জানান, যে কোন ইতিহাস বিকৃতি করা মনেই কঠিন অপরাধ। তবে দেশের মাটিতে বাস করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি মেনে নেয়াই যায় না।কোন ব্যক্তি যদি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসই না জানে তবে তার আ’লীগ থেকে সংসদ সদস্য হওয়ার কোন যোগ্যতাই নাই।

তার ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে ফুঁষে  উঠেছে ভোলাহাটের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের ব্যক্তিরা।এ ব্যাপারে ক্ষিতিশ চন্দ্র আচারী’র সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহারকৃত মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

loading...
%d bloggers like this: