loading...

সৎ, নীতিবান ও অনমনীয় চরিত্রের হওয়ায় পদে পদে বাঁধার শিকার

0

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপ-পরিচালক আব্দুল খালেক অত্রাঞ্চলে শিক্ষা কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন এবং তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন । শিক্ষায় রাষ্ট্রীয় সিস্টেমের মধ্য দিয়ে সৎ, নির্ভীক, সাহসী, কর্মক্ষম, জনসেবায় তার মত নিবিষ্ট মানুষ পাওয়া শুধু কঠিন নয়, দুর্লভ হয়ে উঠেছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় আব্দুল খালেকের মত ‘ন্যায্যতা’-এর সমাজ ও রাষ্ট্রের নানান ক্ষেত্রে, নানান পদে, নানান প্রতিষ্ঠানে, নানান কর্মযজ্ঞে- এরকম মানুষকে প্রতি মুহুর্তে খুঁজে চলছি ।

অথচ সেই কর্মকর্তাকে পদে পদে বাঁধার শিকার হতে হচ্ছে একটি চক্রান্তকারী মহলের রোষানলে পড়ে ।খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপ-পরিচালক (ডিডি) আব্দুল খালেক সৎ, নীতিবান ও অনমনীয় চরিত্রের মানুষের মধ্যে তিনি একজন ।যারা সমাজকে, রাষ্ট্রকে পদে পদে কলুষিত করছে, সমাজকে ভারসাম্যহীন ও দূষিত করে তুলছে, সমাজের মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার ক্ষুন্ন করছে তাদের বিরুদ্ধে রুখে । দুর্নীতির বিরুদ্ধে, ঘুষের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে গেলে যেখানে নিজের অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন হয় সে ক্ষেত্রে একজন সৎ এবং নীতিবান মানুষের করণীয় কী-ই বা থাকতে পারে । হাত-পা, চোখ-কান সবকিছুই অন্যায়, অসত্য আর দুর্নীতির কাছে বাধা পড়ে গেছে একটি মহলের কাছে ।

আব্দুল খালেকের মত যোগ্য ব্যক্তিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে ভালো কর্মকান্ডের গরিরোধ করার হীন চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে অপর এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে । অভিযোগ আব্দুল খালেকের কর্মকান্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার মো: রফিকুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে নানারকম ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন । তন্মধ্যে এমপিও ভূক্তির জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারগণের মাধ্যমে উৎকোচের বিনিময়ে জেলা শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম ক্রুটিপূর্ণ ও সসঙ্গতিপূর্ণ ফাইল নিয়ে জমা দেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে ।

সৎ ন্যায় পরায়ন ডিডি আব্দুল খালেক ফাইল ক্রটিপূর্ণ হওয়ায় সরকারি নির্দেশনা অনুসারে সংশোধন এবং সংযোজনের জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে ফাইল ফেরৎ পাঠান । ফাইল ফেরৎ যাওয়ায় এবং রফিকুল ইসলাম ঘুষ সুবিধা নেওয়ায় ভূক্তভোগীদের নিজের দোষ চাপিয়ে দেন ডিডির ওপর । এরই ধারাবাহিকতায় ২০ জুলাই একটি জাতীয় দৈনিকে আব্দুল খালেক, তার স্ত্রী এবং তার কার্যালয়ের আবুল  কামালসহ আরো৩-৪  জনকে জড়িয়ে মিথ্যা , ভিত্তিহীন, বানোয়াট, কাল্পনিক, মনগড়া, উদ্দেশ্যপ্রনোদিত সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তার সুনাম ক্ষুন্নের চক্রান্ত করছে ।আব্দুল খালেক বলেন, তার স্ত্রী ইতিপূর্বে বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন । বর্তমানে এই অফিসে অফিস সহকারী হিসাবে কর্মরত আছেন ।

তাকে জড়িয়েও মিথ্য সংবাদ প্রকাশ করা হয় । হাস্যকর দাবি করে বলেন, পত্রিকাটির সংবাদে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রী এ অফিসের কার্যক্রম নিয়ে ক্ষুব্ধ । অথচ সংবাদে শিক্ষা মন্ত্রীর কোন সাক্ষাতকার কিংবা বক্তব্যও উল্লেখ করা হয়নি । তিনি বলেন, রাজধানীতে থাকাকালীন দুর্নীীতর অভিযোগে ডিডি পত্রিকার শিরোনাম হয়েছিলেন প্রকাশ হয়েছে । অথচ এমন কোন সংবাদ কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি । ষাটলিপিকার আবুল কালাম পেশনে থেকে উপ পরিচালকের দুর্নীতির সহযোগীতা করছেন । এ ব্যাপারে আবুল কালাম বলেন, আমি কোন দুর্নীতি করি নাই । একাজে কাউকে সহযোগীতাও করি নাই ।

আবুল কালামের বক্তব্যও একই ।এদিকে সদর উপজেলার মাইজবাড়ি আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সায়মা নিলুফা এপিও ভুক্তির জন্য তার কাছে আসেন । কাগজপত্র ঠিক না থাকায় এমপিও ভূক্তির সুপারিশে অপারগতা প্রকাশ করেন । সেই শিক্ষিকার পক্ষ হয়ে সুপারিশ করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক জহিরুল হক । সায়মা নিলুফার এমপিওকে সুপারিশ না করায় এ দুজন ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন এবং আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন । ডিডি আব্দুল খালেক বলেন, এমপিও ভূক্তিতে কাগজপত্র সঠিক হলে ডিজি মহোদয়ের কাছে পাঠাই । আর ত্রটিযুক্ত হলে সংশোধন, সংযোজনের জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে ফেরৎ পাঠাই । এক্ষেত্রে কেউ আমার ক্ষতি বা ষড়যন্ত্র করলে কিবা করার আছে ।

ময়মনসিংহ অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, অপরাপর জেলা শিক্ষা অফিসার, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্টরা বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপ-পরিচালক আব্দুল খালেক এর মত একজন সৎ, নির্ভীক, সাহসী, কর্মক্ষম, জনসেবায় তার মত নিবিষ্ট মানুষ বর্তমান সময়ে পাওয়া শুধু কঠিন নয়, দুর্লভ হয়ে উঠেছে। তাই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন ও তাদের কবল থেকে আব্দুল খালেককে রক্ষায় সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা ।

loading...
%d bloggers like this: